ইন্টারনেট ব্রাউজার কি - ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে !

আপনি যদি একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হন তাহলে ব্রাউজার নামটি শোনেন নি এটা হতে পারে না। কারণ ইন্টারনেট ব্যবহার করার আগে আপনাকে এটি ব্যবহার করতে হবে। আপনি ইন্টারনেট কোন কিছু সার্চ দেওয়ার জন্য ক্রোমো বা অপেরা মিনির মত কোন একটি ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে। তাহলে প্রশ্ন হল ব্রাউজার কি কি ভাবে কাজ করে? এটি যদি আপনি জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য কারণ এই আর্টিকেলে ব্রাউজার এর সকল খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানতে পারবেন।


সূচিপত্রঃইন্টারনেট ব্রাউজার কি ? ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

ব্রাউজার কি ব্রাউজার কাকে বলে-ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

যে সফটওয়্যার এর সাহায্যে একটি ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করা যায় বা দেখা যায় তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে আর ইন্টারনেট ব্রাউজিং হচ্ছে এক ওয়েব পেজকে অন্য ওয়েব পেজ এর ভিজিট করা বা ভ্রমণ করা ভিজিট করা এর এসব কাজের জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের সফটওয়্যারকে ব্রাউজার সফটওয়্যার বলা হয়।

সহজ ভাষায় ওয়েব ব্রাউজার কাকে বলে-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি 

সোজা ভাবে বলতে গেলে ওয়েব ব্রাউজার  হলেও একটি কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন যেটাকে ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেট ব্যবহারের উদ্দেশ্যে। যখন আমরা ব্রাউজার  যেকোনো ওয়েবসাইটে ইউআরএল এড্রেস দিয়ে সার্চ করি। তখন ব্রাউজার ওয়েবসাইটের সাথে জড়িত ওয়েব সার্ভারের সাথে যুক্ত হয়ে যায় । তারপর ওয়েব সার্ভার থাকা ওয়েবসাইট প্রত্যেকটি কনটেন্ট মাল্টিমিডিয়ার ডিভাইস ইমেজ ইত্যাদি গুলোকে পরে এবং মানুষ বুঝতে পারে সাধারণ ভাষায় অনুবাদ করে। অনুবাদ করা ওয়েব পেজটি আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে দেখিয়ে দেওয়া হয়।  আর এই গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনটি হল ব্রাউজার । আশাকরি ব্রাউজার  সম্পর্কে আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

ব্রাউজার  কি ভাবে কাজ করে-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি 

ব্রাউজার কি তা জানার পর আপনাদের মনে নিশ্চিত এই  প্রশ্ন এসেছে যে ব্রাউজার  কিভাবে কাজ করে থাকে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্রাউজার  কিভাবে কাজ করে ।ব্রাউজার  এমন একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যার কাজ ইন্টারনেটের থাকা সকল ফাইল কন্টেন্ট সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুঁজে এনে ব্যবহারকারীর মোবাইল বা কম্পিউটার এর স্ক্রিনে প্রদর্শন করা। ওয়েবসাইটের সকল নাম আইপি নির্ভর হয়ে থাকে কিন্তু একজন মানুষের আইপি মনে রাখা সম্ভব না।
      
 তাই ডোমেন নাম দিয়ে ওয়েব ব্রাউজার সাজবারে সার্চ দিলে সেই ওয়েব ইউ আর এল ওয়েব এড্রেস যুক্ত থাকা ওয়েব সার্ভার থেকে ইনফরমেশন পাওয়ার জন্য অনুরোধ পাঠায়। ওয়েব সার্ভার থেকে ইনফরমেশন ওয়েব ব্রাউজারে পাঠায় ব্রাউজার এর অনুরোধের জন্য ওয়েব সার্ভার থেকে তথ্যগুলো সংগ্রহ করে ডিসপ্লে যে প্রদর্শন করে। আর এইসব ব্রাউজার বিভিন্ন  প্রোগ্রামিং ভাষা এর উপর তৈরি হয়ে থাকে আর অধিকাংশ ব্রাউজারের ক্ষেত্রে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে থাকে গুগোল। আর এভাবে ব্রাউজার  কাজ করে।

ব্রাউজার  কিভাবে ডাটা কালেকশন করে-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি 

ব্রাউজার  কিভাবে কাজ করে তা সম্পূর্ণভাবে জানতে হলে এই প্রশ্নটি সবসময় থেকে যায়।ব্রাউজার নেটওয়ার্কের ডাটা গুলো কিভাবে কারেকশন করে থাকে। ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে কোন ব্রাউজারে প্রবেশ করেন সাথে সাথে সেই ব্রাউজার  টি আপনার আইপি অ্যাড্রেস অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়ার্ক পয়েন্ট ইত্যাদি অনেক তথ্য অটোমেটিক পেয়ে যায় । আর সেই সকল তথ্য কাজে লাগিয়ে ব্রাউজার  বিভিন্ন ওয়েব পেজ থেকে ডাটা কালেকশন করে থাকে। আর তার জন্য ব্যবহার করতে হয় HTTP প্রটোকল তাছাড়া আপনি কোন সাইডে ভিজিট করেছেন আর কোন কোন সাইটগুলো আপনি বেশি বেশি দেখেছেন এই সকল ইনফরমেশন কিন্তু আপনার অজান্তে ব্রাউজার  গুলি ব্যবহার করে থাকে। আর সেজন্য আপনি সবসময় আপনার পছন্দের রিলেভেন্ট ইনফো বা এড দেখতে পান। ইচ্ছে করলেই আপনি সেটিং এ গিয়ে এটা অফ করে দিতে পারেন। সেজন্য আপনাকে ডু নট টেক অপশন চালু করে রাখতে হবে । ওয়েব সিকিউরিটি জন্য এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ব্রাউজার এর বৈশিষ্ট্য-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি  ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

কোন একটি ওয়েব ব্রাউজারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী খুব সহজে তার তথ্য খুঁজে পেয়ে থাকে ।ব্রাউজার  কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো।
1. সার্চ ইঞ্জিনঃ ব্রাউজারের সাথে বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন যুক্ত থাকে। সার্চ ইঞ্জিন একটি ব্রাউজারের  প্রাণ । ব্রাউজারের  সাথে যুক্ত থাকা সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার তথ্য খুঁজে বের করে।
2. মাল্টিপল ট্যাবঃ বাজারের প্রধান সুবিধা হচ্ছে মাল্টিপল ট্যাব ফাংশন। এর সাহায্যে আপনি সহজে একের অধিক ওয়েব পেজ খুলে রাখতে পারবেন। এতে আপনার সময় অনেকটা বাঁচবে।
3. হোম বাটনঃ আপনি যদি ব্রাউস করতে করতে অনেকগুলো ওয়েবসাইটে ভিতরে চলে যান। তাহলে হোম বাটন চাপ দিলে ব্রাউজারের হোম পেজ চলে আসবে।
4. কম্পিউটারে নিরাপত্তাঃ শুধু তথ্য খুঁজে বের করা ব্রাউজারের কাজ নয়। কম্পিউটারে নিরাপত্তা দেওয়া হল ব্রাউজার এর কাজ। কারণ হ্যাকাররা কোন ব্রাউজারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে। তাই সমস্ত ব্রাউজারের প্রটেকশন ব্যবহার করা থাকে ।যার ফলে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কেউ চাইলে সহজে  প্রবেশ করতে পারে না।
5. বুক মার্কঃ আপনি কি পছন্দের কোন ওয়েব পেজ পরবর্তী ব্যবহার করার জন্য সেভ করে রাখতে চাচ্ছেন। আপনাকে এই সুবিধা দেবে ব্রাউজারে থাকা বুকমার্ক অপশন । যা ব্যবহার করে আপনারা পছন্দের ওয়ে পেজকে সেভ করে রাখতে পারবেন।
6.ফোল্ডারঃ ব্রাউজার প্রোডাকশন ফোল্ডার সুবিধা থাকায় আপনি চাইলে  বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লিংক লিস্ট আকারে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।

ব্রাউজারের নিরাপত্তা-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

এখন আমরা ব্রাউজার নিরাপত্তা বিষয়ক কিছু কথাবার্তারা নিয়ে আলোচনা করব। যেকোনো ব্রাউজার কেবল ব্যবহার করলে চলবে না এর সাথে নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হতে হবে। হয়তো কোন ভাইরাস যুক্ত সাইডে আপনার চলে যেতে পারেন যা আপনার পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে সক্ষম। তাই নিরাপত্তা বিষয় আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। এর আগে আমরা দেখেছি কোন ব্রাউজার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উপযোগী এগুলোর মধ্যে  ক্রোমো এবং ফায়ারফক্স সবার ঊর্ধ্বে এ কথা না বললে নয়। কেবল ব্রাউজার সিলেকশন আপনি সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে তাই এর ভেতরে কিছু বিষয় সতর্ক থাকতে হবে।

1. সর্বপ্রথম আপনার উচিত একটি সিকিউরিটি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করা।
2. আপনার ব্যবহৃত ব্রাউজার যতটা পারেন আপডেট রাখার চেষ্টা করুন।
3. ব্রাউজার এর সিকিউরিটির রক্ষামূলক কিছু এক্সটেনশন ব্যবহার করতে পারেন।
4. আপনি ইচ্ছে করলে একটি ভালো মানের ভিপিএন ব্যবহার করতে পারেন। ওয়েব ব্রাউজিং করার সময় এটা আপনার সুরক্ষা অনেক নিশ্চিত হবে।

কোন ব্রাউজার কার জন্য-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি ? ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে কোন ব্রাউজার আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। প্রায় সব ব্রাউজার সোর্স কোড গুলো একই রকম হয়ে থাকে তবুও কিছু ভিন্ন তার কারণে এসব ব্রাউজারের কাজের ধরন এবং প্রভাব অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। নেট স্কেপ নামক একটি বাউজার নিয়ে মানুষ একসময় মহা খুশি ছিল। কেননা তাদের সেটি ছাড়া কোন বিকল্প ছিল না বর্তমানে  মানুষকে তাদের কাজের ধরণ অনুযায়ী ব্রাউজার তবে পছন্দ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যাই হোক আজ আমরা জানবো কোন কাজের জন্য কোন ব্রাউজার বেশি উপযোগী।

দ্রুতগতির বাজার-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি ? ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

বর্তমানে ধীর গতির ব্রাউজার নেই বললেই চলে। তবুও ব্রাউজারদের গতি তুলনামূলকভাবে আলাদা করতে সম্প্রতি সান স্পাইডার বেঞ্চমার্ক একটি পরীক্ষা আয়োজন করে। সেই পরীক্ষায় দেখা গেছে ইন্টারনেটে এক্সপলোআর এক্স প্লোরার সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন একটি ব্রাউজার। তবে ক্রম অপেরা কিন্তু খুব একটা কম গতি বললে ভুল হবে। এসব ব্রাউজার গতি অনেক

এড অনের জন্য সেরা ব্রাউজার- ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাড অন আর এক্সটেনশন এর দিক দিয়ে ব্রাউজারের রাজা হিসেবে বসে আছে ফায়ার ফক্স ব্রাউজার। অ্যাড অন পিন  ট্যাব এসব সুবিধা জন্য ফায়ারফক্স ব্রাউজারটি সকলের কাছে অনেক জনপ্রিয়। তবে এই দিক দিয়ে এখন গুগল ক্রোমো পিছিয়ে নেই কিন্তু বর্তমানে এই ব্রাউজার অনেক এক্সটেনশন পাওয়া যায়। আর অপেরা বাজার তাদের রেন্ডারিং ইঞ্জিন পরিবর্তন করে এখন গুগল ক্রোম এর মত প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। তাই ধারণা করা যায় খুব কম সময়ের মধ্যে গুগোল  ক্রোমের মত অনেক ফিচার এড  অন এর সুবিধা আমরা অপেরা ব্রাউজার থেকে পেতে পারি।

উইন্ডোজ এর জন্য সেরা ব্রাউজার- ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

যেহেতু গতির দিক থেকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এগিয়ে রয়েছে । তাই উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার হতে পারে একটি ভালো মানের ওয়েব ব্রাউজার। তাছাড়া ফায়ার ফক্স এবং  ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করতে পারেন। কেননা এদের সিংক্রোনাইজেশন খুব ভালো। তবে ডেক্সটপ মোড এর জন্য ক্রোম ব্রাউজার খুব ভালো কেননা এটি কম সময়ে অনেক সাইডের এক্সেস  দিতে থাকে। আর কোন একটি ট্যাব ক্রস করলে পুরো ব্রাউজার প্রভাবিত হয় না। অন্যদিকে  একটি ট্যাব ক্রস করলে ফায়ারফক্স এর পুরো সিস্টেম এর উপর প্রভাব পড়ে থাকে ।আর  ক্রোমও ব্রাউজার এর অসুবিধা এটি ডাটা চার্জ বেশি করে থাকে। যদি আপনি অনেক গুলো ট্যাব একসাথে ওপেন করে রাখেন।

নিরাপত্তার জন্য সেরা ব্রাউজার- ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

আপনি যদি নিরাপত্তার জন্য সেরা ব্রাউজার অনুসন্ধান করেন তাহলে ক্রোম  ব্রাউজার হবে আপনার জন্য সর্বাধিক কার্য কারি। তাছাড়া সব ব্রাউজার নিরাপত্তার জন্য বিশেষ  মুড চালু করা যায় সেটি অন রাখলে আপনি অনেক সাইট থেকে সুরক্ষা পেতে পারেন। তাছাড়া অ্যাড অন এর সুবিধা কে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার ব্রাউজারের নিরাপত্তা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারেন। আর যদি নিরাপত্তা নিয়ে আপনি একটু বেশি সচেতন হন তাহলে একটি বাউজার ইন্সটল করে সন্তুষ্ট হতে পারেন না আজকাল।

 ক্রোমো এর পাশাপাশি ফায়ারফক্স এবং অপেরা মিনি ইন্সটল দিয়ে রাখতে পারেন আপনার সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য। তবে সকল ক্ষেত্রে আপনাকে যে বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা হলো ব্রাউজার নিরাপত্তা গোপনীয়তা এবং গতি সব কিছু যেন ভালো একটি সমন্বয় আপনি পান। আর সেটার নির্ধারণ করে কোন ব্রাউজার সেরা। বর্তমান বাজারের সেরা এবং জনপ্রিয় বাজার হল  ক্রোম।

ব্রাউজার ব্যবহারে কি কি সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত- ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

ব্রাউজার নিরাপত্তার রক্ষার্থে আপনাকে অনেক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাই যতটা পারেন আপনাকে সচেষ্ট থাকতে হবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। নিরাপত্তা ছাড়া ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহারের সময় আপনাকে বেশ কিছু বিষয় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী যেমন।
1. একসাথে অনেক ট্যাব ওপেন করে রাখা যাবে না।
2. যে কোন অ্যাডে ক্লিক করার আগে নিশ্চিত হওয়া যে সেটা আশঙ্কা মুক্ত কিনা।
3. এডব্লকার কার ব্যবহার করা।
4. যেকোনো Plug ins ইন্সটল করার সময় সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করা।
5. যেকোনো এন্টিভাইরাস ব্যবহার না করে থাকলে অবশ্যই একটি এক্সটেন্সন রাখুন আপনার ওয়েব ব্রাউজারের জন্য।
6. ব্রাউজার সিকিউরিটি অপশন গুলো নিয়মিত চেক করুন।
7. ওয়েব ব্রাউজার এর মাধ্যমে কোন অ্যাপ ইনস্টল দেওয়ার সময়  সতর্ক থাকুন।

ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহারে কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস- ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

আপনি কোন এক সাইডে গেলেন সেখানে লেখাগুলো অনেক ছোট যা আপনার পড়তে অনেক সমস্যা হচ্ছে। তখন আপনি কি করবেন। তখন আপনি নিশ্চিত এমন কিছু করার চেষ্টা করবেন যাতে লেখাগুলো বড় হয়। আপনি যখন মোবাইল ব্যবহার করবেন তখন লেখাগুলো ছোট থাকলে আপনি দুই আঙ্গুলের মাধ্যমে সেটাকে টেনে লেখাগুলো বড় করতে পারবেন। কিন্তু আপনি যখন ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন তখন ছোট লেখাগুলো কে কিভাবে বড় করবেন এর জন্য আপনাকে প্রথমে কীবোর্ড কন্ট্রোল বোতাম টি চেপে ধরে প্লাস বোতামে চাপ দিলে লেখাগুলো বড় হবে আবার লেখাগুলো ছোট করার জন্য আপনাকে মাইনাস বোতামে চাপ দিতে হবে ।এভাবে আপনি লেখাগুলো ছোট বড় করতে পারবেন।

ধরুন আপনি একটি ওয়েবসাইটে ভিজিট করছেন সেখানে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বিশিষ্ট লাইন আপনে পড়তে চান এর জন্য আপনাকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লাইন পড়ার প্রয়োজন নেই আপনাকে এর জন্য একটি কাজ করতে হবে সেটা হল কিবোর্ডে কন্ট্রোল বোতাম চেপে ধরে F বাটনে ক্লিক করুন দেখবেন আপনার সামনে একটি সার্চ বক্স চলে আসবে তারপর সেখানে আপনি আপনার ইচ্ছামত কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করতে পারেন এবং সেই কিওয়ার্ড লেখার পর ইন্টারে পেশ করলে দেখবেন আপনার সাইজের সেই টেক্সট গুলো হাইলাইট হয়ে গেছে যেগুলো আপনি সার্চ করেছেন।

ইউটিউব বা কোন সাইট থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে চান । এর জন্য ওয়েব ব্রাউজার এর একটি এক্সটেনশন ইন্সটল করে নিন। প্রয়োজনমতো বিভিন্ন এক্সটেনশন ব্যবহার আপনার ব্রাউজিং এক্সপেরিয়েন্স অনেকটা আনন্দদায়ক সুবিধা জনক করে দেয়।

এরপর ধরুন আপনি একটু সাইডে ভিজিট করেছেন। এমন সময় আপনার প্রয়োজন হল একটি পেজ ঘুরে আসার। তখন কি করবেন সেই সাইটটি ক্লোজ করে আবার নতুন সাইডে যাবেন। এটা করতে হবে না এর জন্য আপনি আপনার ব্রাউজার একটি ট্যাব ওপেন করে নিতে পারেন তারপর সেই ট্যাবের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সাইডে ভিজিট করে আসতে পারেন । এজন্য আপনি যত খুশি ট্যাব ওপেন করতে পারবেন।

তবে একসাথে অনেকগুলো ট্যাব ওপেন করার ফলে আপনার ব্রাউজিং স্পিড অনেক কমে যেতে পারে । আবার ব্রাউজারের অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে তাই প্রয়োজন মাফিক যতটা পারেন স্বল্পসংখ্যক ট্যাব ওপেন করে কাজ করুন।

কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি

এবার আপনাদের বেশ কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো এবং এর সুবিধা অসুবিধা গুলো জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

ক্রোম ওয়েব ব্রাউজার-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি

বর্তমানে জনপ্রিয় তার শীর্ষে অবস্থান করছে এই গুগল ক্রোম ব্রাউজার। জনপ্রিয়তার কারণ অনেক আছে সেগুলো হল
সুবিধা
* গতির দিক দিয়ে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এরপরে ক্রোম ব্রাউজার এর অবস্থান।
* এই ব্রাউজার এর সিস্কক্রোনাইজেশন অনেক ভালো মানের।
* সহজে অনেক  সাইটে এক্সেস পাওয়া যায়।
* অনেক রকম এক্সটেনশন রয়েছে।
* কোন কারনে ট্যাব ক্রস করলে তা পুরো ব্রাউজার উপর প্রভাব ফেলে না।
অসুবিধা 
* অনেকগুলো ট্যাব ওপেন করলে এর স্পিড অনেকটা কমে যায়।
* তুলনামূলক ডাটা খরচ একটু বেশি হয়।
* ব্যাটারি খরচ অনেকটা বেশি হয়ে থাকে।
* অন্যান্য ওয়েব ব্রাউজার তুলনায় বেশি মেমোরি নিয়ে থাকে।

মজিলা ফায়ারফক্স-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি

মজিলা ফায়ারফক্স এই ওয়েব ব্রাউজারটি সম্পর্কে এবার আমরা জানবো এর ব্যবহারে সুবিধা অসুবিধা
সুবিধা
* এই ব্রাউজারটির  সিংক্রোনাইজেমনও অনেক ভালো।
* নিরাপত্তার বিষয়ে অনেকটা জোরদার এই ব্রাউজার।
* ডাটা খরচ তুলনামূলক কম হয় অন্য ব্রাউজার এর চেয়ে।
* একে এড অন এর রাজা বলা হয় ।
অসুবিধা
* এই ওয়েব ব্রাউজার এর যেকোনো কারণে একটি ট্যাব ক্রস করলে এর প্রভাব পুরো ব্রাউজার উপর পড়ে।
* ক্রোম এর তুলনায় মজিলা ফায়ারফক্স এর ব্রাউজিং স্পিড একটু কম।

অপেরা মিনি-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি

অপেরা মিনি এই ব্রাউজারটি সম্পর্কে এখন আমরা জানব এর সুবিধা অসুবিধা
সুবিধা
* ক্রোম এর তুলনায় এই ওয়েব ব্রাউজার আপনি অনেক বেশি ফিচার পাবেন।
* এই ব্রাউজার আউট লুক অনেক সুন্দর হয়ে থাকে।
* এই ব্রাউজার সব রকম সাইটে এক্সেস  পাওয়া যায়।
অসুবিধা
* এই ওয়েব ব্রাউজারের সিকিউরিটি ব্যবস্থা তেমন ভালো না।
* এই ব্রাউজার বাউজিং স্পিড একটু স্লো হতে পারে।
* এই ব্রাউজার খুব ঘন ঘন ট্যাব ক্রস করে থাকে।

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এই ব্রাউজারটি সম্পর্কে আমরা এখন জানবো এর সুবিধা অসুবিধা
সুবিধা
* বলা হয়ে থাকে ইন্টারনেট দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি গতি সম্পন্ন ওয়েব ব্রাউজার হল  এক্সপ্লোরার।
* এক্সপ্লোরার ব্রাউজার এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো।
* ইন্টারনেটে এক্সপ্লোরার মেমোরি খরচ অনেক কম হয়।
অসুবিধা
* খুব বেশি টুলস এবং ফিচার আপনি এই এক্সপ্লোরার এর মধ্যে দেখতে পাবেন না।
* এর আউটলুক সাধারণ তাই অনেকে পছন্দ করেনা।

আপনি হয়তো একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন সকল ব্রাউজার কিছু না কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে। এ সকল দুই বিবেচনা করে আপনারা প্রয়োজন মত নিজের কাজের উপযোগী ব্রাউজার বাছাই করে নিতে পারেন। এখানে হাতে গোনা কয়েকটি ব্রাউজার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও অনেক ওয়েব ব্রাউজার রয়েছে আপনি সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

ব্রাউজার তৈরি ইতিহাস-ইন্টারনেট ব্রাউজার কি

সর্বপ্রথম ব্রাউজার আবিষ্কৃত হয় 90 এর দশকে। ইংরেজি কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বানাস লি ১৯৯০ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে একটি ব্রাউজার তৈরি করে। এটা হল সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত ব্রাউজার। তবে ইন্টারনেটের সাথে এর নামের মিল থাকায় পরবর্তীতে এর নামকরণ নেক্সাস রাখা হয়। সে হিসাবে বলা যেতে পারে নেক্সাস হলো সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত ওয়েব ব্রাউজার। তবে শুধু মাত্র একটি অপারেটিং সিস্টেম পরিচালিত হওয়ার কারণে অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল।

এসব নানা সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে টিম বানানো লি এর ওয়ার্ল্ড  ওয়া্ইড ওয়েব  ব্রাউজারটি বেশি দিন টিকেনি । এমনকি ব্রাউজারটি সাধারণ ইউজারদের ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত ছিল না। তবে সে জায়গাটি দূর করে ১৯৯৪ সালে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ও জনপ্রিয় ব্রাউজার হিসেবে বাজার দখল করে নেটস্কে ব্রাউজার। যা পরবর্তী মজিলা নামকরণ করা হয়। এমনকি বর্তমান সময়ে মজিলা একটি জনপ্রিয় ব্রাউজার।

শেষ কথাঃইন্টারনেট ব্রাউজার কি ? ব্রাউজার কি ভাবে কাজ করে

আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানলাম ব্রাউজার কি ইন্টারনেটে ব্রাউজার কিভাবে কাজ করে। ব্রাউজার সুবিধা ও অসুবিধা এই আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন । এবং ব্রাউজার সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে তা কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪