ইন্টারনেট কি। ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে


 ইন্টারনেটের কল্যাণে আক্ষরিক অর্থে বিশ্ব আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। বিগত মাত্র ২০ বছরে ২০০ টিরও বেশি দেশে ইন্টারনেট কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে এর মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায় বিশ্বে যেকোনো প্রান্তে ইন্টারনেটের সাহায্যে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জরুরি প্রয়োজন পূরণ করা যায় খুব সহজে। কিন্তু আমরা কখনো কি ভেবে দেখেছি ইন্টারনেট আসলে কি এবং ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে। তা যদি না জেনে থাকেন তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্য কারণ এই আর্টিকেলে আমরা জানবো ইন্টারনেট কি কিভাবে কাজ করে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে। 


 সূচিপত্রঃইন্টারনেট কি। ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে?

ইন্টারনেট কি-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট হচ্ছে ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্কের সংক্ষিপ্ত নাম। ইন্টারনেট মূলত একটি কম্পিউটার এর সাথে আরেকটি কম্পিউটারের সংযোগ। পেরেকের কম্পিউটারের সাথে প্রাপকের কম্পিউটারের তথ্য আদান-প্রদান করার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা হল ইন্টারনেট। ইন্টারনেট আধুনিক টেলিফোগাযোগের  একটি নেটওয়ার্ক। যার মাধ্যমে টেলিফোন লাইন আর বেতার সংযোগ ব্যবহার করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস গুলোকে (W.W.W) World  Wid Web এর সাথে যুক্ত করে

(WWW) হল ইন্টারনেটের তথ্য গ্রহণ করার এক পদ্ধতি। আর এই পদ্ধতি হাইপারটেক্সট লিংক এর মাধ্যমে ইন্টারনেট সকল ধরনের ডাটা বা ডকুমেন্টগুলো একে অপরের যুক্ত করে দেয়। আরো সহজ ভাবে ইন্টারনেট বলতে গেলে। ইন্টারনেট হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। যে নেটওয়ার্ক সব থেকে বড় এবং ব্যস্ত। এক কথায় বিশ্বের যেসব কম্পিউটার গুলি নেটওয়ার্ক দ্বারা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে তা হল ইন্টারনেট। আর আপনি যখন মোবাইল বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করবেন তখন নেটওয়ার্ক বিশাল জালের ভাগ হয়ে দাঁড়ায় একে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক বলে। আর এই গ্লোবাল সাথে যখন কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যুক্ত হয় তখন আমরা কম্পিউটারের ফাইল ডকুমেন্ট আদান প্রদান করতে পারি। আর এই নেটওয়ার্ক হলো ইন্টারনেট। তাহলে ইন্টারনেট মানে কি তা আমরা বুঝতে পারলাম।

ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে-ইন্টারনেট কি

ইন্টারনেট কাজ করে একটি কম্পিউটারের সঙ্গে অন্য একটি কম্পিউটারের যোগাযোগের মাধ্যমে আর আমরা আগে বলেছি নেটওয়ার্ক হল বিশাল একটি জাল যাকে আমরা ইন্টারনেট বলি। আর ইন্টারনেট সঠিকভাবে কাজ করার জন্য গ্লোবাল নেটওয়ার্ক তার বা বেতার যেকোনো একটি মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে থাকতে হয় এবং গ্লোবাল নেটওয়ার্ক  জড়িত থাকা বিভিন্ন কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার রাডার বা সার্ভার এর মাধ্যমে কানেকশন হয়ে তথ্য বা ডাটা ট্রান্সফার করে সংগ্রহ করে নেয়। এভাবে ইন্টারনেট কাজ করে।
ইন্টারনেট কাজ করার জন্য তিনটি জিনিস প্রয়োজন হয়
১. একটি ডিভাইস
২ TSP  থেকে ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করা
৩. ওয়েব ব্রাউজার
একটি ডিভাইসঃ ইন্টারনেট কাজ করার জন্য প্রথমে যেটি প্রয়োজন সেটি হল একটি ডিভাইস সেটি হতে পারে ল্যাপটপ কম্পিউটার ট্যাব অথবা মোবাইল ফোন এগুলোর সাহায্যে আমরা ইন্টারনেট এ কাজ করতে পারি
TSP থেকে ইন্টারনেট সেবাঃ ইন্টারনেট কানেকশন নেওয়ার জন্য আমাদের ডিভাইস ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক বিশাল জালের কানেকশন করতে পারি। তাছাড়া আমরা অনেক সহজে আমাদের আশেপাশে TSP গুলির ইন্টারনেট সার্ভার নিতে পারি যেমন Airtel Idea বা BSNLকোম্পানিগুলো আমাদের টেলিকমিউনিকেশন সার্ভার দেওয়ার  সাথে সাথে ইন্টারনেট সার্ভার প্রদান করে IPS থেকে ইন্টারনেট কিনে বা নিয়ে তারপর তার বা বেতার যেকোনোভাবে কম্পিউটার সেবা কানেক্ট করাতে পারি।
ওয়েব ব্রাউজারঃ যেকোনো ডিভাইস ইন্টারনেট এ কাজ করার জন্য আপনার একটি ওয়েব ব্রাউজার এর প্রয়োজন হবে। ওয়েব ব্রাউজার এমন একটি সফটওয়্যার যা  আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করা ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক জালের সংযুক্ত হতে দেয় যাকে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক বলে। এরপর ডোমেন আইপি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্লোবাল নেটওয়ার্কের সাথে কানেকশন করে অন্য কম্পিউটার এর তথ্য ডকুমেন্ট ফাইল দেখতে পারি। মনে রাখবেন আধুনিক ইন্টারনেট দ্বারা অনেক কাজ করতে পারি । যেমন ভিডিও কল মেসেজ সেটিং ইত্যাদি ইন্টারনেট আলাদা আলাদা সেবা পেতে আলাদা আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

ইন্টারনেট কি কি কাজে ব্যবহার করা হয়-ইন্টারনেট  কি

বর্তমান যুগে এমন কোন কাজ নেই যা ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয় না। তাই প্রতিটি কাজের জন্য আমরা টেকনোলজি ব্যবহার করছি। এককথায় ইন্টারনেট আমাদের জীবনকে সহজ করে দিয়েছে। তাই ইন্টারনেটের সেরা কিছু ব্যবহার নিয়ে আলোচনা।
১. ইলেকট্রনিক মেল (Email) ঃ আমরা জানি যোগাযোগের অন্যতম উপায় ইমেইল(Email) ইন্টারনেট শতকরা ৮৫% মানুষ (Email) মাধ্যমে যোগাযোগ করে থাকে।
২. ঘরে বসে ইনকামঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে ইনকাম করার জনপ্রিয় পেশা। ঘরে বসে আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারি। Youtube, blogging, Freelancing   করে সহজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা টাকা ইনকাম করতে পারি। 
 আরো পড়ুনঃ 

৪. অনলাইন কেনাকাটাঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে অনলাইন থেকে কেনাকাটা করতে পারবেন। অনলাইনে কেনাকাটার জন্য আপনার ইন্টারনেট প্রয়োজন।
৫. অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রিঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি অনলাইনে কোন কিছু বিক্রি করতে পারবেন খুব সহজে।
৬. বিনোদনঃ ঘরে বসে আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনোদনমূলক গান ভিডিও সিনেমা দেখতে পারবেন। এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন গেম খেলতে পারবেন।
৭. ফাইল ডাউনলোডঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফাইল ডাউনলোড দিতে পারবেন খুব সহজে।
৮. যোগাযোগঃ ইন্টারনেটের অধিক ব্যবহার। তাই আপনি একে অপরের সাথে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন খুব সহজে। আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশ-বিদেশ থেকে খুব সহজে পরিবার প্রিয়জনের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।

ইন্টারনেটের সুবিধা-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

১. দেশ-বিদেশের খবর আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে শুনতে অথবা দেখতে পারি।
২. ঘরে বসে আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনোদনমূলক গান ভিডিও সিনেমা দেখতে পারি।
৩. ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করতে পারি। শিক্ষা অর্জন করার বড় মাধ্যম হলো এখন অনলাইন মাধ্যম। আর এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা অনলাইন থেকে শিক্ষামূলক বিভিন্ন বিষয় পড়তে ও দেখতে পারি।
৪. ঘরে বসে আয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা টাকা ইনকাম করতে পারি। 
৫. কোন বিষয়ে জানার থাকলে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আমরা ঘরে বসে জেনে নিতে পারি।
৬. ঘরে বসে অনেক রকমের তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে গবেষণা করতে পারি
৭. ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ইন্টারনেটের অসুবিধা-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

১., ইন্টারনেটে অনেক ফেক ওয়েবসাইট রয়েছে যার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়।
২. ইন্টারনেটের কবলে পড়ে যুবক-যুবতী পর্নোগ্রাফি দেখে যুবসমাজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।
৩. হ্যাকারদের কবলে পড়ে ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত তথ্য ফাইল ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে।
৪. ইন্টারনেটে অনেক ভুল তথ্য থাকে যার কবলে পড়ে আমরা প্রতারণা হচ্ছে।
৫. ইন্টারনেটের কবলে পড়ে গেম খেলে অযথা সময় নষ্ট করে।
৬. অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক জিনিস কিনে তা ঠিক সময় পাওয়া যায় না। 

ইন্টারনেটের জনক-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেটের জনক ভিনটল গ্রে কার্ফ কে বলা হয়।

ইন্টারনেটের ব্যবহার-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

২০২৩ তথ্য অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭.৭৫ বিলিয়ন যা জনসংখ্যার ৬৪.৫ শতাংশ এর মধ্যে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার কারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর শীর্ষ দেশ-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর শীর্ষ দেশ চীন। তারপর ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দ্বিতীয় ভারত এবং তৃতীয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অবস্থান নবম ।

ইন্টারনেট আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার মানুষের জীবনে এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে অনেকের দম বন্ধ থাকার সঙ্গে তুলনা করে । অনেকে আবার এর ব্যবহারের অধিকার কে রীতিমতো মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করে থাকে । ইন্টারনেট নিঃসন্দেহে মানব জাতির জন্য একটি আশীর্বাদ। মেসেজিং ভিডিও কল অডিও কলিং ফিচার যুক্ত প্ল্যাটফর্মের বদৌলতে  বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যোগাযোগ হচ্ছে নির্দিচ্ছন্নভাবে। শক্তিশালী সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে আমরা যেকোন তথ্য পায় হাতের নাগালে । কিন্তু অনেকেই এর ক্ষতির দিকগুলো বড় করে দেখে তা ইন্টারনেট ব্যবহারে সঠিক ইতিবাচক দিকগুলো বিবেচনা আন আর পাশাপাশি সচেতন হতে হবে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে।

ইন্টারনেট সামাজিক প্রভাব-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট সামাজিক প্রভাব ইতিবাচক এবং নৈতিক বাচক উভয় হিসেবে দেখা যায়। একদিকে লোকেরা যুক্তি দেয় ইন্টারনেট সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং প্রতারণা ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে লোকেরা বিশ্বাস করে যে ইন্টারনেট সামাজিক বিপরীত প্রভাব ফেলেছে যুক্ত দিয়ে ইন্টারনেট নাগরিক ব্যস্ত অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে।, প্রভাব গুলো ভালো বা খারাপ হোক না কেন ইন্টারনেট সমাজের যোগাযোগ এবং সংযমের উপায় পরিবর্তন করেছে। মানুষ ব্যক্তিগত স্বার্থ প্রকল্প এবং মূল্যবোধের ভিত্তিতে সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করেছে। ইন্টারনেট সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক প্রভাব ফেলেছে তাছাড়া বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য করতে ইন্টারনেট কাজ করছে।

ইন্টারনেটে ইতিহাস-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট আবিষ্কার করাটা খুব সহজ কাজ ছিল না। এবং কেবল একজনের পক্ষে এই টেকনোলজি খুঁজে বের করা সহজ কাজ না। ইন্টারনেট আবিষ্কার করার জন্য অনেক প্রোগ্রামার এবং ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজন হয়েছিল। আমেরিকার একটি এজেন্সি আর পানেট স্থাপনা হয়েছিল ১৯৬৯ সালে । 

এবং এজেন্সির কাজ ছিল একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটারের সংযোগ বা কানেক্ট করা। পরে ১৯৮০ সনের পরে গিয়ে এই টেকনোলজির নাম ইন্টারনেট হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৮৩ সনে ইন্টারনেটের আরম্ভ হয়েছিল। ইন্টারনেট শুরু হওয়ার সময় একে বলা হত নেটওয়ার্ক অফ নেটওয়ার্ক যদিও আজকে মডেল সোসিটি তে এর নাম ইন্টারনেট হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আগের অনলাইনে দুনিয়া এত ভাবে স্বীকার করার যোগ্য ছিল না। কিন্তু ১৯৯০ এরপর যখন কম্পিউটার স্ক্যানটিস্ট টিম বার্নেস লি উদ্ভাবিত করে (WWW )তখন লোকদের জন্য এই ইন্টারনেট অনেক কাজে মজার এবং স্বীকার করার যোগ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ইন্টারনেটের ব্যাপারে জানাটা কেন জরুরী-ইন্টারনেট কি

এখনকার দিনে সব থেকে বেশি পরিমাণ ইনফরমেশন পাওয়া যায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এবং সব ধরনের মানুষের নতুন নতুন জিনিসের ব্যাপারে জানার অনেক ইচ্ছুক থাকে। তাছাড়া অনলাইনে ভিডিও বা আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা যেকোনো বিষয় শিখে নিজে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারে।, আজ বেশিরভাগ লোকেরা ইন্টারনেট থেকে কিছু নতুন শিখে সেগুলো নিজের জীবনে প্রয়োগ করছে। অনেকে ইন্টারনেট থেকে নতুন কিছু শিখে সফল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া আজকাল ইন্টারনেটে যোগাযোগের জন্য সব থেকে বেশি ব্যবহার হচ্ছে। তাই আপনি যদি ইন্টারনেটের ব্যাপারে জ্ঞান না রাখেন তাহলে অনেক পিছিয়ে থাকবেন এবং এতে আপনার অনেক ক্ষতি হবে সময়ে এই যোগাযোগের মাধ্যমে আপনার অনেক কাজে লাগতে পারে। আজকাল অফিস এর কাজে ইন্টারনেটের অধিক পরিমাণ ব্যবহার করা হয়। তাই ইন্টারনেট সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে আপনার চাকরি পেতে অনেক অসুবিধা হতে পারে।

ইন্টারনেট এবং নিরাপত্তা-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট জুড়ে প্রচুর পরিমাণ তথ্য সর্বজীবনীয় এবং ব্যক্তিগত উভয় সংগ্রহ করা হয়। যা ব্যবহারকারীদের ডেটা লঙ্ঘন এবং অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি ঝুঁকি থেকে উন্মুক্ত করে। হ্যাকারা নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেম প্রবেশ করতে পারে এবং লগইন তথ্য বা ব্যাংক এবং ক্রেডিট কার্ড একাউন্টে তথ্য চুরি করতে পারে। অনলাইনে গোপনতা রক্ষা করার জন্য নেওয়া যেতে পারে এমন কিছু পদক্ষেপ এর মধ্যে রয়েছে এন্টিভাইরাস এবং অ্যান্টিম্যালওয়্যার  ইন্সটল করা হচ্ছে সঠিক বৈচিত্র্যময় পাসওয়ার্ড তৈরি করা যা অনুমান করা অসম্ভব। একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক vpn বা একটি ব্যক্তিগত বাউঝিং মোট যেমন গুগল  ক্রোম এর ছন্দবেশে উইন্ডোজ ব্যবহার করে শুধুমাত্র এইচ টিটিপিএস ব্যবহার করে সমস্ত সামাজিক মিডিয়া একাউন্ট ব্যক্তিগত করা। অটো ফিট নিষ্ক্রিয় হচ্ছে ডিভাইসের জিপিএস বন্ধ করা হচ্ছে কুকিস আপডেট করা হচ্ছে যাতে কোন সময় ককি ইন্সটল করা হলে একটি সতর্ক পাঠানো হয়।  ট্যাব বা উইন্ডোজ বন্ধ করার পরিবর্তে অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করা। ইমেইল গুলোর সাথে সতর্কতা অবলম্বন করা। এবং অজানা কিছু খুলবেন বা ডাউনলোড করবেন না।

ইন্টারনেটের ঠিকানা-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি নিজস্ব ঠিকানা থাকে যা আইপি নামে পরিচিত। এর অর্থ ইন্টারনেট প্রটোকল। প্রত্যেকটি কম্পিউটারে কানেকশন এর জন্য আলাদা হয়।

পৃথিবীতে সব কম্পিউটার কিভাব ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত

পৃথিবীতে সব কম্পিউটার একে অপরের সাথে যুক্ত করার জন্য এক ধরনের কেবল ব্যবহার করা হয়। ইন্টারনেট সমুদ্রের নিচে প্রায় চার লক্ষ কিলোমিটার অপটিকেল ফাইবার ক্যাবল দিয়ে পুরো পৃথিবীকে সংযুক্ত করে রেখেছে যাদের মতো করে। এই অভিনব যোগাযোগ ব্যবস্থা সর্বপ্রথম আবিষ্কার হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময় যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায় এই কারণে মিলনেট নামক একটি কোম্পানি ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করে তবে বাংলাদেশের ১৯৯৩ সালে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয় ।

ইন্টারনেট অ্যাক্সেস-ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে আগে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করতে হবে। এখন প্রশ্ন হল যে কিভাবে ইন্টারনেট এক্সেস করতে হয়। প্রথমে অপটিক্যাল কেবল এর মাধ্যমে অর্থাৎ ওয়াইফাই মডেল ডায়াল আপ ইত্যাদি যেটা মূলত সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে সংযুক্ত । এর মাধ্যমে প্রায় ৯৯ ভাগ ডিভাইস ইন্টারনেটেযুক্ত। এছাড়া আরও একটি উপায় হল স্যাটেলাইট। এর প্রসেসিং বর্তমান শতকরা একভাগ ডিভাইস ইন্টার্নেশনাল যুক্ত রয়েছে। ইন্টারনেট কাজ করার জন্য তিনটি ডিভাইস প্রয়োজন এই ডিভাইস যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু থাকবে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইপি জেডি থেকে ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করা যাবে আর এই ওয়েব ব্রাউজার বা অ্যাপ্লিকেশন আরে ব্রাউজার ইন্টারনেট কানেকশন এর মাধ্যমে পুরো পৃথিবীর সমস্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযুক্ত করে।

শেষ কথা ঃইন্টারনেট কি। ইন্টারনেট কিভাবে কাজ করে

আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে ইন্টারনেট সম্পর্কে জানলাম। ইন্টারনেট কি ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে। এই আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে আপনারা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। এবং ইন্টারনেট সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে তা কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।



    এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

    পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
    এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
    মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

    অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

    comment url

    এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪