হার্ট ভালো রাখার সহজ উপায়

 সারা বিশ্বের এক নম্বর মরণ ব্যাধি রোগ হলো হৃদরোগ কোনো রকম পূর্বাভাস ছাড়াই হৃদরোগে যেকোনো সময় কেড়ে নেয় জীবন সারা বিশ্বে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করে একবার হার্ট এটাকে আক্রান্ত হলে প্রায় শতকরা ৪৫ ভাগ রোগে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে হার্ট বা হৃদপিণ্ড একটি জরুরি অঙ্গ হার্টের কর্মক্ষমতার ওপর বেঁচে থাকা শক্তি শারীরিক কর্ম ক্ষমতা বলতে গেলে জীবনের সবকিছু নির্ভরশীল।

হার্টের দ্বারা, রক্ত সঞ্চলনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে পুষ্টি ও শক্তি সঞ্চালিত হয়  অক্সিজেন সরবরাহ এবং কার্বনডাই  নির্গত হয় অন্য যেকোন অঙ্গ নষ্ট হয়ে গেলে শুধু ওই অঙ্গের কার্যের ব্যাঘাত ঘটে । কিন্তু হার্ট বা হৃদপিণ্ড নষ্ট হয়ে গেলে মানুষের নানা জটিল সমস্যা দেখা দেয়  এমন কি মানুষ মারা যায় তাই আমরা জানবো হার্ট বা হৃদপিণ্ড ভালো রাখার কিছু উপাই 


সূচিপত্র

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড কি 

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড  হলো মানব দেহের একটি গুরুত্ব পূর্ণ  পেশীবহুল অঙ্গ ।  যা পৌনঃপুনিক ছন্দময় সংকোচনের মাধ্যমে সংবহনতন্ত্রের রক্তনালীর মধ্যে দিয়ে সারা দেহের রক্ত পাম্প করে। পাম্পকৃত রক্ত দেহের অক্সিজেন ও পুষ্টি বহন করে নিয়ে যায় আর ফুসফুসে বিভিন্ন বিপদজনক ভদ্র যেমন কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করে নিয়ে আসে হার্ট বা হৃৎপিণ্ড এর আকার একটি বদ্ধ মুষ্টির সমান এবং এটি বুকের মধ্যে ফুসফুসের দুটির মাঝখানে অবস্থিত।

জার সাহায্য মানুষের দেহের রক্ত সঞ্চালন করে মানুষকে জীবিতো রাখে।হার্ট বা হৃদপিণ্ড  অকেজ হয়ে গেলে মানুষ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে । মানুষের  এক মাত্র অক্সিজেন সরবারহ কারি হলো হার্ট । তাই হার্ট অকেজ বা নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ অকালে মারা যায় ।

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখার উপাই

স্বাভাবিক সুস্থ জীবনের জন্য দরকার একটি সুস্থ হার্ট । কিন্তু এই যন্ত্রটিকে সুস্থ রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। আধুনিক বিশ্বের জীবনযাত্রার নানামুখী পরিবর্তন কাজের পরিবেশ সবকিছু যেন প্রতিনিয়ত হাট বা হৃৎপিণ্ড কে প্রতি কোনো তার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। তারপরও এই হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হবে। আর তাই সুশৃঙ্খল জীবন যাপনের কোন বিকল্প নেই আর হার্ট বা হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখার কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করা হলো
1. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে হলে সর্বপ্রথম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে রক্তচাপ পরীক্ষা করাতে হবে যত আগে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়বে তত আগে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এবং জটিল রোগ প্রতিক্রিয়া হতে রক্ষা পাওয়া যাবে।
2. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। হার্ট বা হৃৎপিণ্ড অকেজো হওয়ার একটি বড় মাধ্যম হলো ডায়াবেটিস। তাই নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে তাহলে হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখা যাবে
3. ধূমপান বর্জনঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে সর্ব প্রথম ধূমপান বর্জন করতে হবে। ধূমপানের কারণে শরীরের তামাকের নানা রকম বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় উচ্চ রক্তচাপ সহ নানান রোগ দেখা দিতে পারে। তাই হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে সর্বপ্রথম ধূমপান পরিহার করতে হবে
4. ভারসাম্যপূর্ণ ওজনঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে ভারসাম্যপূর্ণ ওজন বজায় রাখতে হবে। ওষুধ খেয়ে ওজন কমানো বিপদজনক। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওজন কমানোর ওষুধ না খাওয়াই ভালো। তাই ওষুধ ছাড়া চেষ্টা করতে হবে যেন শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায় আর ভারসাম্যপূর্ণ ওজন রাখতে পারলে হার্ট বা হৃদপিন্ডের জন্য ভালো।
5. নিয়মিত ব্যায়াম করাঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখার জন্য ব্যামের কোন বিকল্প নেই। হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে আমাদের নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে প্রতিদিন অন্তত আধা ঘন্টার বেশি হাঁটতে হবে। লিফট এর বদলে সিড়ি ব্যবহার করতে হবে এতে হার্ট ভালো থাকবে। আমাদের একটি রুটিন মোতাবেক প্রতিদিন সকালে ব্যায়াম করতে হবে এতে হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো থাকবে।
6. অতিরিক্ত লবণ নিয়ন্ত্রণঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে হলে অতিরিক্ত লবণ বর্জন করতে হবে। খাবার লবণে অতিরিক্ত সোডিয়াম থাকে যা রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয় ফলে রক্তের আয়তন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ বেড়ে যায় ফলে হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই হার্ট কে ভালো রাখতে হলে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।। অনেকে আবার কাঁচা লবণ খায়। এটা হার্টের জন্য মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
7. চর্বিযুক্ত খাবার বর্জনঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে চর্বিযুক্ত খাওয়ার বর্জন করতে হবে। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাওয়ার রক্তের কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয় এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায় যা হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে তাই অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাওয়ার বর্জন করতে হবে।
8. মানসিক ও শারীরিক চাপ সামলাতে হবেঃ হাত বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা শারীরিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ অতিরিক্ত রাগ উত্তেজনা উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ দেখা দিতে পারে তাই হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে নিয়মিত বিশ্রাম সময় মতো ঘুমাতে হবে।
9.মদ্যপান পরিহারঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে অতিরিক্ত মদ্যপান পরিহার করতে হবে। বেশি অ্যালকোহল গ্রহণ করার ফলে হার্টের নানা রকম সমস্যা দেখা দেয় অতিরিক্ত মদ্যপান উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় যার প্রভাব সরাসরি হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের উপর গিয়ে পড়ে এর জন্য আমাদের অতিরিক্ত মদ্যফান বর্জন করতে হবে হার্ট ভালো রাখতে হলে।
10. অলস জীবন ত্যাগ করতে হবেঃ হার্ট বা হৃদপিন্ড কে ভালো রাখতে হলে আমাদের অলস জীবন ত্যাগ করতে হবে। এ গবেষণায় দেখা গেছে যারা অলস জীবনযাপন করে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর জন্য হার্ট পা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে অলস জীবন ত্যাগ করতে হবে।
11. শাক সবজি ও ফলমূলঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে আমাদের বেশি পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে। শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এবং ক্যালরি রয়েছে যা আমাদের হার্টের জন্য খুবই ভালো তাই আমাদের হাট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে নিয়মিত শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে
12. বেশি করে আঁশযুক্ত খাবারঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে আমাদের বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার বা আঁশ আছে সেসব খাবার খেতে হবে এসব খাবার শরীর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে এর জন্য হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো থাকে।

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো আছে কিনা বোঝার উপায়

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো আছে কিনা এটা বোঝার ২ টা উপায়
১. আপনি বাসায় বসেই নিজে নিজে এটা বুঝতে পারবেন
২. আপনি ডাক্তারের কাছে গিয়ে চেকআপ করে বুঝতে পারবেন
১. আপনি বাসায় বসেই নিজে নিজেই হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো আছে কিনা বুঝতে পারবেন এর জন্য আপনাকে বাসায় বসে ভারী এক্সারসাইজ করতে হবে এর জন্য আপনি পাঁচতলা ছয় তালা সিঁড়ি হয়ে উঠানামা করলেন অথবা ৪০ থেকে ৫০ মিনিট জগিং করবেন অথবা দৌড়াবেন এই পরিশ্রম বা এই প্রেমের সময় আপনার যদি বুকে কোন ব্যথা না আসে কোন চাপ চাপ না লাগে এবং আপনার যদি শ্বাসকষ্ট না হয় আপনার শরীর যদি স্বাভাবিক থাকে তাহলে আপনি বুঝবেন আপনার হার্ট-বা হৃদপিণ্ড ভালো আছে। আর যদি এইসব করার ফলে আপনার বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হয় তাহলে বুঝবেন আপনার  হার্ট বা হৃৎপিণ্ড কোন সমস্যা তৈরি হয়েছে

২. আপনি কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ডাক্তারের কাছে গিয়ে চেকআপ এর মাধ্যমে বুঝতে পারবেন আপনার হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো আছে কিনা ডাক্তার আপনাকে কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা দিবে এসব পরীক্ষা করার পর ডাক্তার আপনাকে সিওর জানাবে যে আপনার আপনার হার্ট বা হিট পিণ্ড ভালো আছে কিনা।

হার্ট দুর্বল হলে কি হয়

বর্তমান সময়ে পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের রোগ জীবাণু ছড়িয়ে রয়েছে এ সকল কিছুর দিকে খেয়াল দিতে গিয়ে আমরা নিজের হার্টের দিকে খেয়াল দিতে ভুলে যায় । হার্ট আমাদের শরীরের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি হার্ট ভালো রাখার উপায় হার্ট এর প্রতি আমাদের যত্ন নিতে হবে। হার্ট দুর্বল হলে আমাদের শরীরে যেসব সমস্যা দেখা দেয় তা হলো
1. হৃদগতি বেড়ে যাওয়া
2. দুর্বলতা ও ক্লান্তি অনুভব করা
3. বুকে ব্যথা হওয়া
4. শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হওয়া

হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকারক খাবার

আধুনিক জীবন যাপনের জন্য আমরা নানা রকম খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সেসব খাওয়ার আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের জন্য মারাত্মক খারাপ প্রভাব ফেলে আর এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে যেসব খাওয়ার
1. ঠান্ডা পানিঃ অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের জন্য খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে
2. চিপসঃ শিশু থেকে শুরু করে বড় মানুষ সকলে চিপস পছন্দ করেন। মাঝে মাঝে কয়েক টুকরো  চিপস খেলে এতে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু চিপস খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হলে তা আমাদের  হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতি করে এর জন্য আমাদের চিপস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে তাহলে আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো থাকবে।
3. অতিরিক্ত মাছ বা মাংসঃ অতিরিক্ত মাছ বা মাংস আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের জন্য খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে অতিরিক্ত মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
4. জাঙ্ক ফুডঃ পিজ্জা বার্গারসহ চাইনিজ খাবারের আমাদের হার্ট হৃৎপিণ্ডকে অনেক ক্ষতি করে দেয় তাই আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে হলে জাঙ্ক ফুড বর্জন করতে হবে।

হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো খাবার

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে হলে আমাদের ভালো খাবারের কোন বিকল্প নেই । হার্ট যেমন আমাদের দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ তেমনি ভালো খাবারও হার্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তাই আমরা হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখার কিছু খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলো
1. ডুমুরঃ ডুমুর  হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষার জন্য পুষ্টিকর অন্যতম সেরা খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি ফাইবার যা হৃদরোগের ঝুকি কমাতে সাহায্য করে।
2. কাঁচা মরিচঃ কাঁচা মরিচের রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যাপসাইসিন যা উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এতে আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে
3. আদাঃ নিয়মিত কাঁচা আদা খেলে আমাদের উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং হার্ট ডিজিজ মত রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এর জন্য নিয়মিত আদা খেলে আমাদের হার্ট বা হৃদপিণ্ড ভালো থাকে
4. কাঁচা রসুনঃ কাঁচা রসুন প্রতিদিন সকালে খেলে আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ড অনেক ভালো থাকে। তাই হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখার জন্য আমাদের কাঁচা রসুন খেতে হবে।
5. ফলমূলঃ হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখার জন্য ফলমূলের কোন বিকল্প নেই। তাই আমাদের নিয়মিত মৌসুমী ফলমূল খেতে হবে এতে আমাদের হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো থাকবে

হার্ট অ্যাটাকের পূর্বাভাস

হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হলে ইকেজি সহ আরো কয়েকটি পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়। যদিও সবার হার্ট অ্যাটাক একই রকম হয় না তবে কিছু ভূস্বর্গ আছে যেগুলো দেখা দিলে রোগী হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা তা বোঝা যায়
1. বুকে ব্যথা বা চাপ লাগা
2. দম আটকে আসাৎ
3. প্রচন্ড ঘাম হয়
4. হাত ব্যথা হয়
5. বমি বমি ভাব হয় অথবা বমি হয়
6. রক্তনালী ফুলে যায়
7. বুকে জ্বালা পোড়া করে
8. মাথা হালকা হয়ে আসে

শেষ কথা

হার্ট বা  হৃৎপিণ্ড সম্পর্কে আমরা অনেক জানলাম হার্ট বা  হৃৎপিণ্ড কিভাবে ভাল রাখা যায় হার্টের জন্য ভালো খাবার হার্টের জন্য কোন খাবার খাওয়া ক্ষতিকর হার্ট ভালো আছে কিনা বোঝার উপায় এছাড়াও হার্ট নিয়ে নানান রকম আলোচনা করা হয়েছে এই আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং আরো কিছু জানার থাকলে তা কমেন্ট করে জানিয়ে দিন

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪